দক্ষিণ জনপদের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠ দৌলতপুর সরকারি বিএল কলেজের কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাস ও শহিদ তিতুমীর হল পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। হল দু’টির ভবন নিলামে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা চেয়ে জেলা প্রশাসনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। হল দু’টি দীর্ঘদিন ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে।
কলেজ অঙ্গনের উত্তর পাশে ১৯৬৩ সালে নিউ মুসলিম ছাত্রাবাস নির্মাণ হয়। আবু সাঈদ আহমদ ছিলেন তখন অধ্যক্ষ। এ সময় ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন মনোনীত মিয়া সাদেকুর রহমান ও জিএস বিমলন্দ হাওলাদার। প্রফেসর মোহাম্মদ বজলুল করিম রচিত ব্রজলাল কলেজের ইতিহাসে উল্লেখ করা হয়েছে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটির নামকরণ করা হয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাস। এ বিষয়ে স্বপক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন ১৯৬৯-১৯৭৩ কলেজ সংসদের ভিপি স ম বাবর আলী ও জি এস ফ ম সিরাজুল হক। এ হলে ৩৬ জন ছাত্রের আবাসিক সুবিধা ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে এ ছাত্রাবাস ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গত দু’বছরে এর জানালা দরজা উধাও হয়ে গেছে।
এ গ্রন্থের তথ্য অনুযায়ী ১৯৮১ সালে শহিদ তিতুমীর হল স্থাপন হয়। এর আসন সংখ্যা ১৪৪ জন।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, বসবাসে নিরাপদ না হওয়ায় এ দু’টি ছাত্রাবাস পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হচ্ছে বলে এ প্রতিনিধিকে জানান। নিলামের জন্য নির্দেশনা চেয়ে জেলা প্রশাসনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। এ দু’টি স্থানে নতুন ভবনের জন্য হুইপ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। হুইপের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, পাঁচশ’ আসন করে ৪টি ছাত্রাবাস নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ছাত্রাবাসসহ অন্যান্য স্থাপনার জন্য আড়াইশো, কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।
খুলনা গেজেট/এনএম

